| | শুক্রবার, ৩১শে বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১লা শাওয়াল, ১৪৪২ হিজরি |

হালুয়াঘাটে অবৈধ ভাবে ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে নদী থেকে বালি উত্তোলন লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন ইউপি চেয়ারম্যান

প্রকাশিতঃ ৭:১৭ অপরাহ্ণ | এপ্রিল ২৫, ২০২১

somoy news

এম,এ মালেক,হালুয়াঘাট (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি : ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলার গাজিরভিটা ইউনিয়নের সূর্য্যপুর বাজার সংলগ্ন বোরাঘাট নদী থেকে অবৈধ ভাবে ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে বালি উত্তোলন করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেনসহ একদল ভুমিদস্যু।

জানা যায়, বোরাঘাট নদী থেকে অবৈধ ভাবে ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে বালি উত্তোলন করায় ভেঙ্গে পড়েছ নদীর প্যলাসেটিংসহ পাহাড়ি জনপদের অসহায় মানুষদের চলাচলের রাস্তা। সম্প্রতি সময়ে প্রায় তিন লক্ষ টাকা ব্যায়ে রাস্তা রক্ষার জন্য নদীর পাশে প্যালাসেটিং করা হয়। স্থানীয় চেয়ারম্যান প্রভাবশালী ব্যক্তি হওয়ার সুবাধে সরকারি অনুমতি ব্যতিরেখে ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে নদী থেকে বালি উত্তোলন করে হাতিয়ে নিচ্ছেন মোটা অংঙ্কের অর্থ। আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ বনে গেছেন তিনি। প্রসাশনের নাকের ডগায় নদী থেকে ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে বালি উত্তোলন করা হলেও উদ্যেশ্যহীন ভাবে নেওয়া হয়নি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা। প্রভাবশালী ব্যক্তি হওয়ায় স্থানীয়রা মুখ খুলতে নারাজ চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে।

????????????????????????????????????


সরেজমিনে জানা যায়, গাজিরভিটা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন নকলা থানার আতশ আলীর পুত্র আনোয়ার হোসেনকে দিয়ে ড্রেজার মেশিন ভাড়ায় এনে দিনপ্রতি ৬শত টাকা করে মুজুরী দিয়ে রাত দিন নদী থেকে বালি উত্তোলন করছেন। নদী থেকে বালি উত্তোলন করায় ভেঙ্গে পড়েছে নদীর প্যলাসেটিং, হুমকির মূখে রয়েছে নদীর উপর নির্মিত রাবার ড্রাম্প। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এলাকাবাসী জানায়, ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে নদী থেকে বালি উত্তোলন করায় যে কোন সময় ভেঙ্গে যেতে পারে নদীর পাড়েরর রাস্তাটি। চেয়ারম্যান অধিক মুনাফা অর্জনের জন্য এলাকাবাসীর ক্ষতির চিন্তা না করে অবৈধ ভাবে বালি উত্তোলন করে দুর্নীতির মহোৎসবে মেতে উঠেছেন। শিঘ্রই প্রশাসনের নিকট ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে নদী থেকে বালি উত্তোলন বন্ধ করতে জোরদাবী জানিয়েছেন।

গাজিরভিটা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন বলেন, নদীর যে স্থান থেকে বালি ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে উত্তোলন করা হচ্ছে সে জায়গাটি ব্যক্তিগত। ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে নদী থেকে বালি উত্তোলন করা অবৈধ নয়।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ রেজাউল করিম বলেন, ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে নদী থেকে বালি উত্তোলন করা নিষেধ রয়েছে। অত্র উপজেলায় যদি কোন ব্যক্তি নদী থেকে ড্রেজিং করে অবৈধ ভাবে বালি উত্তোলন করেন এবং তদন্তে প্রমাণিত হয় তাহলে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

Matched Content

সময় নিউজ ডট নেট এর কোনো সংবাদ,তথ্য,ছবি,আলোকচত্রি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে র্পূব অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সর্ম্পূণ বেআইনি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যে কোন কমেন্সের জন্য কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।


Shares