| | মঙ্গলবার, ২৪শে ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২৪শে রজব, ১৪৪২ হিজরি |

ভাষা শহীদদের প্রতি জাতির শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন

প্রকাশিতঃ ২:৩৩ অপরাহ্ণ | ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২১

somoy news

নিজস্ব প্রতিবেদক ; রাজধানীর পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন স্থানে একুশের প্রথম প্রহরে শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান নানা-শ্রেণি পেশার মানুষ। এ সময় ভাষা শহীদদের স্মরণ করে নিরবতা পালন করেন তারা।

তবে এবার মহামারির বাস্তবতায় ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদনের আয়োজনটি এবার হচ্ছে সীমিত পরিসরে।

রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার অভিমুখে হাজারো মানুষের ঢল নেমেছে। ৫২’র ভাষা আন্দোলনে আত্মোৎসর্গকারী বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে রাত ১২টা ১ মিনিট থেকেই ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বহির্বিভাগের সীমানা প্রাচীর ঘেঁষে থাকা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে মানুষ আসতে থাকেন।

প্রথমে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। এরপর দলীয় নেতাকর্মী, গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গের শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে রাত ১২টা ১৬ মিনিটের দিকে সর্ব সাধারণের শ্রদ্ধা জানানোর জন্য শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ উন্মুক্ত করা দেওয়া হয়।

তবে ভোরের আলো পূর্ব দিগন্তে উঁকি মারার সঙ্গে সঙ্গে মানুষজন ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে আজিমপুর কবরস্থান ও কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ছুটে আসেন। বেলা গড়াতেই বাড়তে থাকে মানুষের ঢল। তারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সলিমুল্লাহ হলের অদূরে পলাশীর মোড়ে জড়ো হন। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তল্লাশি শেষে তারা সারিবদ্ধ ভাবে ভেতরে প্রবেশ করেন।

করোনা পরিস্থিতির কারণে অন্যান্য বছরের তুলনায় এ বছর একুশের প্রথম প্রহরে মানুষের উপস্থিতি ছিল তুলনামূলক কম। এছাড়া সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী এবার শহীদ মিনারের মূল বেদিতে একসঙ্গে পাঁচজন শ্রদ্ধা জানাতে পারবেন- এমন নিয়মে রাতে ভিড় কম হয়।

বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মানুষের ভিড় ক্রমেই বাড়তে থাকে। এ সময় মহামারি করোনাকালীন ঝুঁকি এড়াতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার যে নির্দেশনা স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা দিয়েছেন তা মানার বালাই দেখা যায়নি। মাইকে বার বার মাস্ক ছাড়া কেউ ভেতরে প্রবেশ করবেন না বলা হলেও অনেককেই মাস্ক ছাড়া জটলা পাকিয়ে শহীদ মিনার অভিমুখে ছুটে যেতে দেখা যায়। ফুলেল শ্রদ্ধা জানাতে বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা ছাড়াও ব্যক্তিগতভাবে শ্রদ্ধা জানাতে একা কিংবা পরিবারের সদস্যদের নিয়ে অনেকেই ফুলেল শ্রদ্ধা জানাতে আসেন।

এক সময় একুশে ফেব্রুয়ারির প্রভাত ফেরিতে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে খালি পায়ে হেঁটে হেঁটে শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য ছুটে আসতে দেখা গেলেও সময়ের পরিক্রমায় এখন আর তেমন ভাবে খালি পায়ে কাউকে হেঁটে হেঁটে আসতে দেখা যায়।

Matched Content

সময় নিউজ ডট নেট এর কোনো সংবাদ,তথ্য,ছবি,আলোকচত্রি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে র্পূব অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সর্ম্পূণ বেআইনি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যে কোন কমেন্সের জন্য কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।


Shares